বাংলাদেশের প্রস্তাবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেল ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’

576

ডেস্ক রিপোর্টঃ
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) অনুরোধে বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবে ১৪ নভেম্বরকে ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালনের স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে এ প্রস্তাব সর্বসন্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালন করা হয়। ২০০৭ সাল থেকে এ দিবশটি পালন কারা হচ্ছে। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগটি সম্পর্কে মানুশকে সচেতন করাই দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য।

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে বাডাসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশন (আইডিএফ) ১৯৯১ সালে ১৪ নভেম্বরকে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই ১৪ নভেম্বর ছিল ইনসুলিনের আবিষ্কারক ফ্রেডেরিক ব্যান্টিংয়ের জন্মদিন।কিন্তু আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টা খুব সহজ কাজ ছিল না। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাবে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ বাধা দিয়েছিল। তাদের দেশে রোগটির প্রকোপ কম থাকায় তারা এটিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের বিপক্ষে ছিল। কিন্তু বাডাসের নেতারা বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেতে মরিয়া হয়ে প্রচেষ্টা চালান। পরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাবেই আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায় দিনটি।’

বাডাস বাংলাদেশের ডায়াবেটিস রোগীদের কল্যাণে নিবেদিত সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত একটি সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) অন্যতম সদস্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। বর্তমানে ২৩টি কেন্দ্র ছাড়াও বিভিন্ন জেলায় স্থানীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত ৫৫টি অধিভুক্ত সমিতির মাধ্যমে ডায়াবেটিস সেবা দিচ্ছে এ সমিতি। সমিতির কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য রয়েছে ৩২ সদস্যবিশিষ্ট ন্যাশনাল কাউন্সিল বা জাতীয় পরিষদ।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ২৮ ফেব্রুয়ারি ডায়াবেটিস সচেতনতা, ৬ সেপ্টেম্বর ডায়াবেটিস সেবা ও ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উদযাপন করে আসছে।