অল্পের জন্য হেরে গেল বাংলাদেশ

697

 

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে লড়াই করে হেরে গেল বাংলাদেশ। স্বল্প পুঁজি নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করেছেন সাইফউদ্দিন-মোসাদ্দেক-সাকিব-মিরাজরা। ইনিংসের শেষ দিকে টাইগার বোলারদের নৈপুণ্যে পরাজয়ের দুয়ারে থেকেও ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ভালো খেলেও পরাজয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মাশরাফিদের।

বুধবার প্রথমে ব্যাট করে ৪৯.২ ওভারে ২৪৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭ বল হাতে রেখে ২ উইকেটের জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের পথেই ছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু ইনিংসের শেষ দিকে পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট শিকার করে দলকে খেলায় ফেরান সাইফউদ্দিন ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

শেষ দিকে জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৪৮ বলে ৩৩ রান। ৪৩তম ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করে গ্রান্ডহোমকে সাজঘরে ফেরান সাইফউদ্দিন। ঠিক পরের ওভারে মাত্র ২ রানে জেমস নিশামকে আউট করার মধ্য দিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।

উইকেট শিকারের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে না পারায় শেষ পর্যন্ত পরাজয় মেনে নিতে হয় সাকিব-তামিমদের।

এরআগে, বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে জয়ের জন্য ২৪৫ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় মাশরাফি বাহিনী। ইনিংস শেষ হওয়ার ৪ বল আগেই অলআউট হয় তারা।

ইনিংসের শুরুতেই তামিম ইকবাল ও সোম্য সরকারের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। পরে সাকিব আল হাসানের ৬৪ রানের ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। কিন্তু শেষে পর্যায়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রানেই গুটিয়ে যায় টিম বাংলাদেশ।

টাইগার ওপেনার জুটি সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল শুরুতে সতর্ক ব্যাটিং করে। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেনি তারা। নিজের ২৫ রানে মাঠ ছাড়তে হয় সৌম্যকে এবং ২৪ রানে আউট হন তামিম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ৪৯.২ ওভারে ২৪৪/১০ (সাকিব ৬৪, সাইফউদ্দিন ২৯, মিঠুন ২৬, সৌম্য ২৫, তামিম ২৪; ম্যাট হেনরি ৪/৪৭, ট্রেন্ট বোল্ট ২/৪৪)।

নিউজিল্যান্ড: ৪৭.১ ওভারে ২৪৮/৮ (টেইলর ৮২, উইলিয়ামন ৪০, নিশাম ২৫, গাপটিল ২৫, মুনরো ২৪; সাইফউদ্দিন ২/৪১, মিরাজ ২/৪৭, সাকিব ২/৪৭, মোসাদ্দেক ২/৩৩)।

ফল: নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দা ম্যাচ: রস টেইলর