এসপি বাবুলের স্ত্রী খুনের ঘটনায় মামলা, আটক হয়নি কেউ

1107

এখন রিপোর্ট।।

চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানমকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় রাতে হত্যা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত সোয়া ১১টার দিকে নগরের পাঁচলাইশ থানা এসআই ত্রি রতন অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে ওই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাঁচলাইশ অঞ্চল) আসিফ মাহমুদ মামলা হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন।

এদিকে ১৬ ঘণ্টা পার হলেও এ ঘটনায় সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা যায়নি। পুলিশের দাবি, জড়িতদের গ্রেপ্তারে র‍্যাব, পুলিশ, সিআইডি, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিআই) ও পিবিআই সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। খুনিরা ধরা পড়বে। পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

আজ রোববার সকাল ৭ টার দিকে নগরের ও আর নিজাম রোডের ভাড়া বাসা থেকে স্কুল পড়ুয়া বড় ছেলে আকতার মাহমুদ মাহিরকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তের গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এই ঘটনার জন্য জঙ্গিদের সন্দেহ করছে।
এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রীর খুনিদের যেকোনো মূল্য গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী। আজ রাতে নগর পুলিশ কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে নগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। এ ছাড়া সভায় জানানো হয়, মামলাটির তদন্তে নগর পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, সিআইডি, পিবিআইও সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (জনসংযোগ) আনোয়ার হোসেন রাতে প্রথম আলোকে বলেন, বাবুল আক্তারের স্ত্রীর খুনিদের গ্রেপ্তার করতে আইজিপি স্যার নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে বিকেলে ঢাকা থেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ভারপ্রাপ্ত আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অতীতে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। ২০১৩ সালে ১৭ পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন অনেকেই। তবে এই প্রথম পুলিশের কোনো সহধর্মিণীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জঙ্গিদের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আন্দাজে কিছু বলতে পারি না। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, সিআইডি, পিবিআইও মামলাটির তদন্ত করছে।